TPL 2024 Planing
এবারে TPL - 2024 বেশ ভালোভাবে এবং বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে। ধীরে ধীরে এই টুর্নামেন্ট আমাদের এলাকায় একটি বার্ষিক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। সিনিয়র ক্রিকেটার, এলাকার আইকনিক ক্রিকেটার, উদীয়মান ক্রিকেটার দের সাথে সাথে এলাকার ক্রিকেট প্রেমী দর্শকদের একটি মিলনমেলা।
এই টুর্নামেন্ট আমাদের এলাকায় আজও ক্রিকেট এর পুরনো চিত্র তুলে ধরে। নতুন প্রজন্মকে জানিয়ে দেয় আমাদের বড় ভাইয়েরা এবং আমরা কিভাবে ক্রিকেট কে আপন করে নিয়েছি। কিভাবে খেলাধুলা আমাদের শৈশবকে আজও রঙিন শৈশব হিসেবে আমাদের স্মৃতির পাতায় সজীব রেখেছে।
কি কি থাকছে আমাদের এবারের আয়োজনে?
বরাবরই TPL টুর্নামেন্টকে, আমরা শুধুমাত্র চারটি টিমের দুটি খেলা এবং একটি ফাইনাল খেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছি। তবে মাঠের সীমানার বাইরে থাকা উৎসুক দর্শক, এলাকার ভবিষ্যৎ ছোটরা এবং সর্বসাধারণের সন্মান পাওয়ার যোগ্য মুরব্বিরা এই আয়োজনের বাইরেই থেকে যায়।
বিগত কয়েক বছরের TPL এর আসরগুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, আমরা যতটা এই টুর্নামেন্ট নিয়ে উৎসুক, মাঠের বাইরে থাকা ছোটরা এবং এলাকার ক্রিকেট প্রেমী দর্শক ততটাই উৎসুক। তাই আমরা এইবারের আয়োজনে তিনটি হাইভোল্টেজ মেস এর পাশাপাশি, বড় ভাইদের পরামর্শে কিছু নতুন আয়োজন, কিছু নতুন সংযোজন করতে যাচ্ছি। আশা করছি সকলের সহায়তা পাবো।
- প্রতি টিম এর প্লেয়ার দের জন্যে একই জার্সির ব্যাবস্থা ( জার্সি বাধ্যতামূলক নয় )
- চারটি টিম এর মধ্যে চলবে তুমুল লড়াই ( মোট তিনটি গেম এ)
- মুরব্বী কর্নার
- অতিথিদের জন্যে আপ্যায়নের ব্যাবস্থা
- পুরাতন ( লিজেন্ডারি ) খেলোয়াড়দের জন্যে সন্মাননা পুরস্কার
- অংশগ্রহণকারী প্রতিটি খেলোয়াড় এর জন্যে পুরস্কারের ব্যাবস্থা
- কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা
- সকলের জন্যে লাকি ড্র ( সম্ভাব্য )
- টুর্নামেন্টের শেষে একটি জমকালো পিকনিক এর আয়োজন করা হবে
বিজয়ী দলের পুরস্কার কি হবে?
আমাদের খেলার এবারের পুরস্কার বণ্টন কিছুটা ভিন্ন হয়ে চলেছে। যেহেতু TPL একটি অরাজনৈতিক এবং অলাভজনক টুর্নামেন্ট তাই এখানে পুরস্কার শুধুমাত্র কয়েকজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। সকলের জন্যে থাকবে পুরস্কারের ব্যাবস্থা এবং এটি হবে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সমান বণ্টন।
প্রথম পুরস্কার এত হাজার দ্বিতীয় পুরস্কার এত হাজার, এমন কি হবে না?
না এমন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। আমাদের আয়োজন এর মূল লক্ষ্য হল সেনিহরি, টেনা ও বালিপাড়া এলাকায় খেলাধুলার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখা। কল্যাণের পথিক নামক এই প্রাণপ্রিয় সংগঠন যে মানবতা, কল্যাণের ও শিক্ষার বার্তা আমাদের শেকড় থেকে চূড়া পর্যন্ত পৌঁছে দিতে কাজ করছে সেটা সকলের সামনে উপস্থাপন করা।
হোকনা সেটা ছোট পরিসরে, হোকনা সেটা একটি গ্রাম ও মহল্লা কেন্দ্রিক, হোকনা সেটা আল্লাহর ঘর মসজিদ কেন্দ্রিক, আমাদের কাজ যেভাবে আমাদের অন্তরে ভালোলাগা ও কর্মস্পৃহা এর জন্ম দেয় একইভাবে সেটি এলাকার প্রতিটি মানুষের মনে সাহস ও আশার জন্ম দেয়।
তাই এই আশাকে, আমরা লাভ ও লোকসানের অংকে মাঝে দাফন না করে, তাকে কল্যাণের পথে অগ্রসর হতে দেই। তাকে মুক্ত হতে দেয়, যেন তা অদূর ভবিষ্যতে আমাদের গ্রামের প্রতিটি শিশুর হাসিতে প্রতিফলিত হয়।
